অবশেষে শিল্পাঞ্চলে পুলিশ ফাঁড়ি
মাধবপুর প্রতিনিধি ॥ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর থেকে ওলিপুর পর্যন্ত সড়কজুড়ে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক শিল্প কারখানা। এখানে কাজ করছেন ৫০ হাজারের বেশি নারী-পুরুষ শ্রমিক। তবে সড়কের সরকারি জায়গা দখল করে দোকানপাট গড়ে ওঠায় যানজট, দুর্ঘটনা ও চুরি-ছিনতাই নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। এ শিল্পাঞ্চলে রয়েছে প্রাণ-আরএফএল, স্কয়ার ডেনিম, বাদশা
গ্রুপ, স্টার সিরামিকস, সায়হাম গ্রুপ, নাহিদ গ্রুপ, নেরোলাক পেইন্ট, আকিজ, যমুনা গ্রুপ, বিএইচএল সিরামিক, ম্যাটাডোরসহ বড় বড় প্রতিষ্ঠান। শুধু ওলিপুরস্থ প্রাণ-আরএফএলেই কর্মরত প্রায় ২৬ হাজার শ্রমিক। সহজ যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও শ্রম সরবরাহের কারণে দ্রুত বেড়েছে এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান। ওলিপুরে দীর্ঘদিন ধরে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ ইউনিট ও সরকারি জায়গা দখলমুক্তের দাবি ছিল। অবশেষে হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিমের পরিকল্পনায় গত জুলাই মাসে ৩৬ দিনে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করা হয়। আগে যেখানে মোড়জুড়ে অবৈধ দোকানপাট ও বস্তির মতো অবস্থা ছিল, এখন খালি জায়গা। নেই যানজট।
নারী শ্রমিক সুমাইয়া বেগম বলেন, ‘আগে চলাচল ছিল কষ্টকর। এখন অনেক সুবিধা হচ্ছে।’
পুলিশ সুপার রেজাউল করিম জানান, সড়কের শৃঙ্খলা ও শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা বজায় রাখতে আগামী ২৪ আগস্ট হাইওয়ে পুলিশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের দুটি ক্যাম্প উদ্বোধন হবে। স্থানীয় শিল্প ও পরিবহন মালিকদের সহায়তায় স্থাপনাটি তৈরি করা হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিয়া বলেন, শিল্প কারখানার কারণে সড়কে চাপ বেড়েছে। নতুন ক্যাম্প চালুর ফলে সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা আরও জোরদার হবে।
