নবীগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভেঙে সংঘর্ষ:নিহত বেড়ে ২

নবীগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভেঙে সংঘর্ষ:নিহত বেড়ে ২
নবীগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভেঙে সংঘর্ষ:নিহত বেড়ে ২

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে চার গ্রামের হাজারো মানুষের সংঘর্ষ, ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ জনে। গত শনিবার সন্ধ্যায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রিমন মিয়া (৪০)। তিনি নবীগঞ্জ উপজেলার আনমনু গ্রামের আউয়াল মিয়ার ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কামরুজ্জামান। এর আগে সংঘর্ষের দিন গত সোমবার বিকেলে ঘটনাস্থলে আহত হয়ে মারা যান তিমিরপুর এলাকার অ্যাম্বুলেন্স চালক ফারুক মিয়া (৪৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন পূর্ব বিরোধের জেরে ইনাতগঞ্জের সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া আশাহিদ আলী আশা ও তিমিরপুরের খসরু মিয়া তালুকদারের মধ্যে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত গাজীরটেক, মৎস্যজীবী পাড়া, চরগাঁও ও পশ্চিম বাজার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষ। এ সময় ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়। আগুন দেয়া হয় বেশ কয়েকটি দোকানে। গাজীরটেক, মধ্যবাজার, মাছবাজার, হাসপাতালসংলগ্ন এলাকা এবং সিএনজি স্ট্যান্ডে ৫০টির বেশি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংঘর্ষ চলাকালে বিকেল ৪টার দিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরে ১৪৪ ধারা জারি করা হলেও তা কার্যকর হয়নি। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনা মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুটি মামলা হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ৫ হাজার জনকে আসামি করে একটি পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা এবং ফারুক মিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।