মডেল মসজিদে আরেক দফা ফাঁটল, ক্রয় হল না আসবাবপত্র

মডেল মসজিদে আরেক দফা ফাঁটল, ক্রয় হল না আসবাবপত্র
মডেল মসজিদে আরেক দফা ফাঁটল, ক্রয় হল না আসবাবপত্র

হবিগঞ্জ: দুইবছর অতিবাহিত হলেও হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়নি আসবাবপত্র (ক্রোকারিজ সামগ্রী)। এছাড়া ভবনে দ্বিতীয় দফায় ফাঁটল দেখা দেওয়ায় অনেকটা এ মসজিদের কার্যক্রম চলছে অনেকটা জোড়াতালি ও ঝুঁকির মধ্য দিয়ে।

এতে ব্যবহার্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে ২০২২ সালে চিঠি দিয়েছিলেন প্রকল্প পরিচালক; কিন্তু সেই চিঠি ২০২৫ সালে এসেও আলোর মুখ দেখেনি।

এ ব্যাপারে ইসলামিক ফাউন্ডেশন হবিগঞ্জের উপপরিচালক ও ক্রয় কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ মনিরুজ্জামানের ভাষ্য— আসবাবপত্র ক্রয়ের কাজ সরকারি গণপূর্ত অধিদপ্তরের। তাঁরা সেই উদ্যোগ নেয়নি; উল্টো নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে মসজিদের দেওয়াল ও ভিমে।

২০২২ সালে প্রকল্প পরিচালক মোঃ নজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়— দেশে ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ব্যবহার্য সামগ্রীর (ক্রোকারিজ) তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় অথবা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালকের সাথে আলোচনা করে মালামাল ক্রয়কাজ সম্পন্ন করার অনুরোধ করা হল।

এরপর ২০২৩ সালের ১৬ জানুয়ারি চুনারুঘাট উপজেলা মডেল মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু মসজিদের বিভিন্ন অংশে ফাটলসহ একাধিক জটিলতায় নামাজ শুরু হয়েছে উদ্বোধনের আরও ৯ মাস পর।

গত সপ্তাহে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মসজিদের কয়েকটি অংশের দেওয়ালে নতুন করে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। ভিমেরও কোথাও কোথাও ফাটল রয়েছে। এনিয়ে স্থানীয় লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

তাঁরা বলেন, এখন পর্যন্ত মডেল মসজিদ পুরোপুরিভাবে চালু হয়নি। এরই মধ্যে দুইদফা ফাটল দেখা দিয়েছে। আগের ফাটলগুলো কোনরকম মেরামত করা হয়েছিল। এখন যে ফাটল দেখা দিয়েছে তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আল্লাহর ঘর নির্মাণে যদি এমন অনিয়ম হয় তাহলে সমাজে ন্যায় বিচার কিভাবে প্রতিষ্ঠা হবে।

এসব বিষয়ে কথা বলতে হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম সাকিবুর রহমানের ব্যবহৃত সরকারি মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।