মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়ে চলছে বানিয়াচংয়ের সাত হাসপাতাল

মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়ে চলছে বানিয়াচংয়ের সাত হাসপাতাল
মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়ে চলছে বানিয়াচংয়ের সাত হাসপাতাল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বানিয়াচং উপজেলায় ৯টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে মাত্র ২টির লাইসেন্স নবায়ন করা আছে। মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়েই চলছে বাকী ৭টি প্রতিষ্ঠান। তাঁরা অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করলেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না স্বাস্থ্য প্রশাসন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসব প্রতিষ্ঠানে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা। ভুক্তভোগীরা বলছেন, নিয়মিত তদারকি না করার কারণে এমন অবৈধ হাসপাতাল ও ক্লিনিক গজে উঠেছে। দেশের প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু কর্মকর্তাদের মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যে— বানিয়াচং উপজেলায় ডাঃ রাধারমন মেডিকেল সেন্টার এবং সততা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে নবায়ন করা আছে। বাকী ৭টি প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স ছাড়াই অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এগুলো হল— ডিজিটাল মেডিকলে সার্ভিস, দি শাপলা মেডিকেল সার্ভিস, বানিয়াচং ডায়াগনস্টিক সেন্টার, দি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বানিয়াচং মেডিকেল সার্ভিস, হেলথ এইড ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার এবং যমুনা মেডিকেল সার্ভিস।

এগুলোর অধিকাংশই ৩/৪ বছর থেকে লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করছেন। তারা বলছেন— সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবদেন করেছেন, এখনও লাইসেন্স আসেনি।

বানিয়াচং উপজেলার জিলুয়া গ্রাম থেকে আসা হাসনা বেগম বলেন, আমি বুকে ব্যাথা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আমাকে ৩টি পরীক্ষা দেওয়া হয়। প্রথমবার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে রিপোর্ট দেখালাম। পরে ডাক্তার বলেন, রিপোর্টে সমস্যা আছে। আরেকবার পরীক্ষা করাতে হবে।

বড়বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, লাইসন্সে ছাড়া অবৈধভাবে এসব হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার যদি চলতে থাকে তাহলে সাধারণ রোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দেশের প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু কর্মকর্তাদের মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি। আমরা এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবি জানাই।

গতকাল রবিবার এ বিষয়ে কথা বলতে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শামীমা আক্তারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।