নগরে নতুন সংযোজন ‘বৈধ অটোরিকশা’

নগরে নতুন সংযোজন ‘বৈধ অটোরিকশা’

সৈয়দ সালিক আহমেদ ॥ পায়জামা খ্যাত এই শহরে যানজট যেন নিত্যদিনের সাথী। বিশেষ করে শহরের মূল সড়কে টমটম ও অটোরিকশার চাপে নাভিশ্বাস শহরবাসীর। তার উপর আবার নতুন করে এক হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার লাইসেন্স দিয়ে বৈধভাবে চলার বন্দোবস্ত চলছে বলে জানিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী শহরের অনুমোদিত ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক বা টমটমের সংখ্যা এক হাজার তিনশ। আর অননুমোদিত ইজিবাইকের সংখ্যা চার হাজারের অধিক! এইসব যানবাহনের যত্রতত্র

পার্কিং আর অদক্ষ চালকের দাপটে সড়ক তাদের দখলে। আর পৌর কর্তৃপক্ষ শহরে আটজন ভলান্টিয়ার দিয়েই দায় সেরেছেন।

শহরের একাধিক বাসিন্দা জানান, টমটম বা রিকশায় চলাচলের চাইতে পায়ে হেঁটে চলা ভালো। আবার অনেকে বলেন, রাস্তা দখল করেছে টমটম এবং রিকশা; আর ফুটপাত দখল করেছেন ব্যবসায়ীরা। সড়কের পাশের ফুটপাত দখলের যেন নিয়মিত প্রতিযোগিতা চলছেই।

গেল দুই বছরে পৌর কর্তৃপক্ষ শহরের যানজট নিরসনের লক্ষ্যে অনুমোদিত এক হাজার তিনশ টমটমকে দুইভাগে চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয়। একদিন চলবে সাড়ে ছয়শ, পরের দিন চলবে অন্য সাড়ে ছয়শ। কিন্তুচালক ও মালিকদের আপত্তির মুখে সেই পরিকল্পনা খাতাকলমেই শেষ হয়ে গেছে। শেষমেশ সড়কে শৃঙ্খলার জন্য আটজন ভলান্টিয়ার নামানো হয়। এখন পর্যন্ত সেটাই পৌর কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও পার্কিং ব্যবস্থার অভাব প্রভাবিত করছে সম্পূর্ণ শহর জীবনকে। পরিবহন সুবিধা অন্যতম একটি নাগরিক চাহিদা।

এ বিষয়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদ ইকবাল চৌধুরী জানান, অনেক চালক টমটম চালানোর যোগ্যতা না রাখলেও শহরে ঘুরে বেড়ায়। তাদের আমরা প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। এছাড়া শহরের ভেতর থেকে সিএনজি অটোরিকশার স্ট্যান্ড সরিয়ে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছি। যত্রতত্র পার্কিং বন্ধ করা গেলে অনেকাংশে যানজট কমে যাবে। তবে এক্ষেত্রে পৌরবাসীর সহায়তাও প্রয়োজন। চলবে...